বিএনপি আমলের চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের পুনরায় গুরুত্বপুর্ন পদে বসানো হচ্ছে। সম্প্রতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে তাতে আমরা জেনেছি যে, আওয়ামী লুটেরারা ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। এই পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দায় দুদকের। অথচ এখন পর্যন্ত আমরা রাস্ট্রপক্ষ বা দুদককে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোন মামলা দিতে দেখিনি। উপড়ন্ত দুদকের চেয়ারম্যন পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ বিমানের এযাবৎকালের সবচেয়ে মহাদুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেনকে। আবদুল মোমেন ২০০১ সালের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বিআরটিএর চেয়ারম্যান ও বিমানের এমডি ছিলেন। তার আগে নব্বইয়ের দশকে তিনি ছিলেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে কেবল ক্ষমতার পালাবদলের জন্য এত তরতাজা তরুন প্রান দিয়েছে!! আমরা কেবল রাজনীতিবিদদের হাজার কোটি টাকা লুটপাঠের কাহিনীই শুনে যাব , কিন্তু রাজনৈ্তিক পট পরিবর্তনের পরেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখব না ! তাহলে কি দরকার ছিল এই রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের ? ফ্যসিবাদী , লুটেরা বন্দোবস্তে যদি কোন পরিবর্তন আনা না হয় , তাহলে কেন এত তরতাজা তরুন প্রান দিল? আবু সাইদ, মুগ্ধরা কি স্রেফ ক্ষমতায় হাসিনার পরিবর্তে হাওয়া ভবনের মাফিয়া কিং তারেক রহমানকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে রাস্তায় নেমেছিল?
#bangladesh #bangla #politics #corruption

